মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্স

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন (Office Application Application ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি এবং প্রকাশিত প্রোডাক্ট সুইটের অংশ, যা কাজের পারফরমেন্স এবং প্রযুক্তি সহযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি অনেক গুলো প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত হলেও বেশি ব্যবহৃত প্রোগ্রাম গুলো হচ্ছে- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ( Microsoft Word ), মাইক্রোসফট এক্সেল ( Microsoft Excel ) এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট (Microsoft PowerPoint ) । এই সফটওয়্যার মধ্যে অনেক গুলো প্রোগ্রাম রয়েছে যা কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণার লাভের জন্য খুবই দরকারি। এই সফটওয়্যার সুইটের মধ্যে বিভিন্ন কাজের সরঞ্জাম রয়েছে, যা পেশাদার এবং ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে।

কোর্সের মেয়াদ :

৬ মাস

কোর্স ফী :

৬০০০/-

ক্লাসের সময় :

সকাল ১০-১২ এবং বিকাল ৩-৫

ক্লাস শুরুর তারিখ :

On Going

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্স

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কি?

মাইক্রোসফট অফিস (Microsoft Office) প্রোগ্রাম হচ্ছে একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।

সারা বিশ্বব্যাপি ব্যবহৃত কম্পিউটার এপ্লিকেশন গুলোর মধ্যে এটি হচ্ছে বহুল আলোচিত ও জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রাম। ১৯৮৮ সালে বিল গেটস লাস ভেগাসে একটি প্রদর্শনীতে মাইক্রোসফট অফিসের কথা প্রথম ঘোষণা দেন। এটি অনেক গুলো প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত হলেও বেশি ব্যবহৃত প্রোগ্রাম গুলো হচ্ছে – মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ( Microsoft Word ), মাইক্রোসফট এক্সেল ( Microsoft Excel ) এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট ( Microsoft PowerPoint ) । বছরের পর বছর ধরে এই অ্যাপ্লিকেশনগুলি উন্নত করা হচ্ছে যেমন বানান শুদ্ধি করন, ভিজুয়াল বেসিক প্রগ্রামিং- এর সংযোজন ইত্যাদি । বিশ্বের লক্ষ কোটি লোক মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহার করে প্রতিদিন।

মাইক্রোসফট অফিস সুইটের প্রমুখ এপ্লিকেশন গুলি নিম্নলিখিত:

  1. Microsoft Word: এই প্রগ্রামটি একটি টেক্সট প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা লেখা এবং স্বরূপ সাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

  2. Microsoft Excel: এটি একটি স্প্রেডশীট এপ্লিকেশন, যা ডেটা অ্যানালাইসিস, গ্রাফ তৈরি, এবং গণনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

  3. Microsoft PowerPoint: এই প্রগ্রামটি প্রেজেন্টেশন তৈরি এবং প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ব্যবসায়িক এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে।

  4. Microsoft Outlook: এটি একটি ইমেল ক্লায়েন্ট এবং পর্সনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ইমেল সম্প্রেষণ এবং ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা করার সাথে কাজ করে।

  5. Microsoft Access: এই প্রগ্রামটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা বাস্তবিক বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

  6. Microsoft OneNote: এটি নোট তৈরি এবং সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি নোটবুক স্টাইলে তথ্য সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে।

  7. Microsoft Publisher: এই প্রগ্রামটি ডেস্কটপ পাব্লিশিং এপ্লিকেশন, যা প্রিন্ট মিডিয়া উৎপাদনে সাহায্য করে।

  8. Microsoft Teams: এটি একটি কাজের দলের সম্পর্কে কর্মীদের সহযোগিতা এবং যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষভাবে ভার্চুয়াল মিটিং এবং চ্যাটিং জন্য।

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন সুইটটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিভক্ত, যেমন Windows, macOS, এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য আপ্লিকেশন সহ মোবাইল এবং ওয়েব ভিত্তিক সংস্করণে বিভক্ত। এই সফটওয়্যার সুইট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত, বাস্তবিক এবং পেশাদার উদ্দেশ্যে কাজে সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করে।

আমাদের কোর্স কারিকুলাম

কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন: এক কথায় বলা যায়- কম্পিউটার ভুবনে প্রবেশ করার প্রথম দরজাই হলো এম. এস. ওয়ার্ড। ফিঙ্গারিং দিয়েই শুরু হবে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন কোর্স। কারণ যার ফিঙ্গারিং যত ভালো তার টাইপিং স্পিড তত ভালো। যেহেতু, কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন কোর্সটি সম্পন্ন করে অফিসিয়াল কাজ করবার জন্য তৈরী হয়, সেহেতু টাইপিং স্পিড এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব পূর্ণ। এ কোর্সের বিষয় সমূহ হচ্ছে- কম্পিউটার ফান্ডামেন্টাল, উইনডস ৭, এম. এস. অফিস (ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সসিস, ফন্ট পেজ), কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পরিচিতি, ইন্টারনেট- এর ব্যবহার।

এম এস ওয়ার্ড ফুল কোর্সটিতে কোন কোন বিষয়সমুহ শেখানো হবে-

  • মাইক্রোসফট ওয়ার্ড : ব্যবহারকারীদের টেক্সট ডকুমেন্টস তৈরি করতে সাহায্য করে ।
  • মাইক্রোসফট  এক্সেল : জটিল ডেটা / সংখ্যাসূচক স্প্রেডশীট গুলি সহজে তৈরি করে।
  • মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট : পেশাদারী মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা তৈরির জন্য আবেদন অ্যাপ্লিকেশন ।
  • ইন্টারনেট এবং ই-মেইল ব্যবস্থাপনা, অনলাইন আবেদন, আউটসোর্সিং প্রাথমিক ধারণা ইত্যাদি।

প্রজেক্ট ওয়ার্ক: কোর্স শেষে থাকছে প্রজেক্ট ওয়ার্ক। যার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী সঠিক ভাবে কোর্স সম্পূর্ণ ই করেনা কম্পিউটার এ দক্ষ জন শক্তিতে ও রূপান্তর হতে পারে। এডমাস শুরু থেকেই সে প্রচেষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

মেয়াদ কাল: ৩ মাস ও ৬ মাস।

সর্টিফিকেট: কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন কোর্সটি বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্সের সুবিধা সমূহ

  • সরকারি বেসরকারি চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন এর সাটিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ।
  • মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্স করে নিজেকে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য রেডি করতে পারবেন।
  • নিজের ব্যাবস্যা সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।
  • নিজেকে আইটি এক্সপার্ট হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন।
  • কোর্স শিখিয়ে আপনি নিজেও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবেন উদ্যোক্তা হিসেবে।
  • বিভিন্ন মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে অনলাইনে টকা আয় করতে পারবেন।

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্স সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্স করে সার্টিফিকেট কি পাওয়া যাবে?

হ্যাঁ, এই কোর্স করে ৩ মাস বা ৬ মাস মেয়াদী সরকারী এবং বেসরকারি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

এই সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকুরির কি জন্য আবেদন করতে পারব?

হ্যাঁ। এই সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারী চাকুরির আবেদন করা যাবে।

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কি কি শিখতে পারবো?

আপনি যে বিষয় গুলো শিখবেন তা হোলঃ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সে্‌ মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পরিচিতি, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি।

কোর্সের পেমেন্ট কিভাবে পরিশোধ করব এবং কোর্স ফি কত?

কোর্সের পেমেন্ট আমাদের অফিসে সরাসরি জমা দিতে পারবেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। কোর্স ফি ৬ মাসের জন্য ৬০০০/- টাকা এবং ৩ মাসের জন্য ৪ হাজার টাকা মাত্র।

মাইক্রোসফট অফিস এপ্লিকেশন কোর্সের জন্য কি বাসায় কম্পিউটার ও ইন্টারনেট থাকা প্রয়োজন?

না থাক্লেও করতে পারবেন তবে বাসায় থাকলে বেসি বেসি প্র্যাকটিস করতে পারলে আপনার জন্যই ভাল হবে।

কোর্সটা কি

আপনার জন্য?

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

আপনি কি একজন শিক্ষার্থী?

পড়াশোনার পাশাপাশি আইটি কাজের বাস্তবমুখী শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীর বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল করবে এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বা কাজের সুযোগ করে দিবে এতে কোন সন্দেহ নেই। বরং পড়াশোনার পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন খন্ডকালিন কাজ করতে চান। আইটি কোন কাজে দক্ষ হলে একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মার্কেটে কাজ করতে পারেন এবং নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেই বহন করতে পারেন।

আপনি কি একজন গৃহিণী?

অনেক শিক্ষিত গৃহিণী গৃহস্থালির কাজের পাশাপাশি কোন কাজ করে আয় করতে চান। কিন্তু তারা চাইলেও নানা সমস্যার কারণে কোন চাকুরী বা ব্যাবসায় যুক্ত হতে পারেন না। তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে সবচেয়ে উপযুক্ত একটি মাধ্যম। একজন গৃহিণী আইটি দক্ষতা অর্জন করে প্রতিদিন বা সুবিধা মত সময়ে কাজ করে আয় এবং নিজের একটি পরিচয় তৈরি করতে পারেন।

আপনি কি একজন চাকুরীজীবী?

বর্তমানে চাকুরী করে অনেকেই হয়তো নিজের সকল প্রয়োজন মেটাতে হিমিশিম খাচ্ছে। অনেকে হয়তো চাকুরীই করতে চাচ্ছেন না, নিজের কিছু করতে চাচ্ছেন। অনেকে হয়তো চাকুরীর পরের সময় গুলো কাজে লাগাতে চাচ্ছেন। প্রতিদিন ৩/৪ ঘণ্টা সময় দিলে স্টাডিটেক এর যে কোন আইটি কোর্সের মাধ্যমে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে আপনার বাড়তি আয়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

আপনি কি একজন উদ্যোক্তা?

আপনি যে কোন ব্যাবসা করেন না কেনো, আপনার বিভিন্ন আইটি কাজের প্রয়োজন হবেই। আপনার নিজের যদি ভালো কাজের আইডিয়া থাকে তবে সেটা অন্যের মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন। কিন্তু আপনি নিজে যদি কোন আইটি দক্ষতা না রাখেন, তাহলে বর্তমান সময়ে যে কোন ব্যাবসা বা নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করলে সাফল্য অর্জন করা খুবই কঠিন হয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের জন্য

বিশেষ সাপোর্ট ব্যাবস্থা

শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন টপিক ক্লাসের পরেও আরো বিস্তারিত জানতে চায়। ক্লাসে দেয়া এ্যাসাইনমেন্ট করার সময় কোন জায়গায় আটকে যেতে পারে। এই সময় একটু সাপোর্ট হলে তারা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন। আবার কোর্স শেষে ক্লায়েন্ট এর কাজ করার সময়েও সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। তাই স্টাডিটেক তার সকল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সাপোর্ট ব্যাবস্থার আয়োজন রেখেছে। এই সাপোর্ট লাইফটাইম সম্পুর্ন বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

অনলাইন লাইভ সাপোর্ট

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সাপোর্ট লিঙ্কে ক্লিক করে সাপোর্ট প্ল্যাটফর্মে জয়েন করতে পারবেন এবং সেখানে মেন্টর থাকবেন লাইভ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। নিজের স্ক্রিন শেয়ার করে বা স্কাইপ কলের মাধ্যমেও মেন্টর সাহায্য করবে।

অফলাইন সাপোর্ট

স্টাডিটেক এর যে কোন শিক্ষার্থী, সে অনলাইন লাইভ কোর্সের হোক কিংবা অফলাইন কোর্সের হোক। স্টাডিটেক এর যে কোন ক্যাম্পাসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সাপোর্টের জন্য আসতে পারবেন। ক্যাম্পাসে সাপোর্ট সেন্টারে বসে মেন্টর এর কাছ থেকে সরাসরি কাজ বুঝে নেওয়া যাবে।

আমাদের

শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্প

অর্থহীন লেখা যার মাঝে আছে অনেক কিছু। হ্যাঁ, এই লেখার মাঝেই আছে অনেক কিছু। যদি তুমি মনে করো, এটা তোমার কাজে লাগবে, তাহলে তা লাগবে কাজে। নিজের ভাষায় লেখা দেখতে অভ্যস্ত হও। মনে রাখবে লেখা অর্থহীন হয়, যখন তুমি তাকে অর্থহীন মনে করো; আর লেখা অর্থবোধকতা তৈরি করে, যখন তুমি তাতে অর্থ ঢালো। যেকোনো লেখাই তোমার কাছে অর্থবোধকতা তৈরি করতে পারে, যদি তুমি সেখানে অর্থদ্যোতনা দেখতে পাও। …ছিদ্রান্বেষণ? না, তা হবে কেন?

আমাদের শিক্ষার্থীরা

কোথায় কাজ করেন?

fiverr

ফাইভার

নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য ফাইভার মার্কেটপ্লেস খুবই জনপ্রিয়। কারন এখানে নতুনরা সহজেই ছোট ছোট কাজ দিয়ে নিজের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। এখানে কাজের নির্দিষ্ট প্যাকেজ বা গিগ করা থাকে যা ক্ল্যায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সার উভয়ের জন্যই সুবিধাজনক। শুধু ছোট কাজ নয়, পর্যায়ক্রমে এখানে বড় বড় কাজ ও পেতে শুরু করেন ফ্রিল্যান্সার রা। আমাদের শিক্ষার্থীরা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৪০০ ডলার এর মতো আয় করে থাকেন।

upwork

আপওয়ার্ক

আপওয়ার্ক একটি বড় আন্তর্জাতিক কাজের বাজার। এখানে বড় বড় কোম্পানি গুলো আউটসোর্সিং করে কাজ করায়। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী এই মার্কেটে টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন। তুলনামূলক এখানে কাজের মূল্য একটু বেশী পাওয়া যায়।

রিমোট জব

বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ভালো মানের কাজ সরবরাহ করার ফলে আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে ক্লায়েন্ট এর অনেক ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। মার্কেটপ্লেসের বাইরেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনেক ক্লায়েন্ট এর কাজ করে থাকেন আমাদের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে অনেক ক্ল্যায়েন্ট মাসিক চুক্তি করে কাজ করায় যেটা চাকুরীর মতো। আমাদের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে বসেই সেই সকল ক্লায়েন্ট দের ফুল টাইম বা চুক্তিবদ্ধ কাজ করে থাকেন যাকে বলা হয় রিমোট জব। রিমোট জবে একজন ফ্রিল্যান্সার গড়ে মাসে ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার করে থাকে।

লোকাল জব

আন্তর্জাতিক বাজার ছাড়াও বাংলাদেশেও কিন্তু আইটির বিভিন্ন কাজ থাকে। মূলত দেশীয় ছোট এবং মাঝারী ব্যাবসায়ি প্রতিষ্ঠান গুলো আউটসোর্সিং করেই কাজ করায়। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী এরকম লোকাল অনেক কাজ করে থাকেন। এখন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সহজেই পেমেন্ট নেওয়া যায়। আবার চাইলে সরাসরি কথা বলেও অনেকে লোকাল বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করছেন। এখানে সুবিধা হচ্ছে কাউকে কোন কমিশন দিতে হয় না যেটা উপরের সকল মাধ্যমেই প্রযোজ্য।

কিভাবে

শুরু করবেন?

আপনার পছন্দের কোর্সে পেমেন্ট করুন

আন্তর্জাতিক বাজার ছাড়াও বাংলাদেশেও কিন্তু আইটির বিভিন্ন কাজ থাকে। মূলত দেশীয় ছোট এবং মাঝারী ব্যাবসায়ি প্রতিষ্ঠান গুলো আউটসোর্সিং করেই কাজ করায়। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী এরকম লোকাল অনেক কাজ করে থাকেন। এখন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সহজেই পেমেন্ট নেওয়া যায়। আবার চাইলে সরাসরি কথা বলেও অনেকে লোকাল বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করছেন। এখানে সুবিধা হচ্ছে কাউকে কোন কমিশন দিতে হয় না যেটা উপরের সকল মাধ্যমেই প্রযোজ্য।

আপনার ইমেইলে ক্লাসের লিঙ্ক দেখুন

অর্থহীন লেখা যার মাঝে আছে অনেক কিছু। হ্যাঁ, এই লেখার মাঝেই আছে অনেক কিছু। যদি তুমি মনে করো, এটা তোমার কাজে লাগবে, তাহলে তা লাগবে কাজে। নিজের ভাষায় লেখা দেখতে অভ্যস্ত হও। মনে রাখবে লেখা অর্থহীন হয়, যখন তুমি তাকে অর্থহীন মনে করো; আর লেখা অর্থবোধকতা তৈরি করে, যখন

নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস করুন

অর্থহীন লেখা যার মাঝে আছে অনেক কিছু। হ্যাঁ, এই লেখার মাঝেই আছে অনেক কিছু। যদি তুমি মনে করো, এটা তোমার কাজে লাগবে, তাহলে তা লাগবে কাজে। নিজের ভাষায় লেখা দেখতে অভ্যস্ত হও। মনে রাখবে লেখা অর্থহীন হয়, যখন তুমি তাকে অর্থহীন মনে করো; আর লেখা অর্থবোধকতা তৈরি করে, যখন

কম্পিউটারের নুন্যতম যোগ্যতা

মূলত যে কোন ডিভাইস যেমন ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল কিংবা ট্যাব থেকেও আমাদের অনলাইন লাইভ ক্লাসে যোগ দিতে পারবেন। কিন্তু কাজ করার জন্য আপনার কম্পিউটার থাকা বাধ্যতামূলক। সর্বনিম্ন ৪ জিবি র‍্যাম এবং Core i3 প্রসেসর হলে কোর্সের কাজ গুলো করতে পারবেন। কিন্তু এর থেকে বেশী গতিসম্পন্ন কম্পিউটার হলে আপনার কাজ করতে সুবিধা হবে, কিন্তু বাধ্যতামূলক নয়।

যোগাযোগ করুন

আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে বা কোন কিছু জানার থাকলে নির্দিধায় নিচের ফর্মটি পূরণ করুন। আমাদের দক্ষ প্রতিনিধি আপনাদের সকল প্রশ্নের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। মাঝে মধ্যে আমাদের প্রতিনিধি রা ব্যাস্ত থাকার কারণে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেতে দেরি হলে আমরা তার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। ততক্ষণে আপনি আমাদের ফেইসবুক পেইজ এবং ফেইসবুক গ্রুপ দেখতে থাকুন।