Video editing & you tube marketing

ভিডিও এডিটিং ও ইউটিউব মার্কেটিং

ভিডিও এডিটিং এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ভিডিও ফুটেজকে এডিটর অনেক সুন্দর ভাবে সাজিয়ে একটি গল্প ফুটিয়ে তোলে। এক্ষেত্রে যে কাজ গুলো করতে হয় সেগুলো হল Correction, Organization, Modifications and Accurate এগুলো বিষয় সকলকেই জেনে রাখা প্রয়োজন।ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে যে বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে সেগুলো হচ্ছে ভিডিওর টাইটেল, গ্রাফিক্স, কালার  কম্বিনেশন, সাউন্ড মিক্সিং,ইফেক্ট ইত্যাদি ভিডিও এডিটিং করার জন্য সর্বপ্রথম করণীয়ঃ-ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো মানের ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে । ভালোমানের ক্যামেরা বলতে বর্তমানে DSLR বা উন্নতমানের হাইডেফিনেশন ক্যামেরা সম্বলিত স্মার্টফোন ইউজ করা ভালো। অন্যদিকে আরেকটি বিষয় হচ্ছে ভিডিও রেকর্ড করার জন্য লোকেশন নির্বাচন করা। যেখানে পর্যাপ্ত আলো সরবরাহ আছে, এরকম একটি লোকেশন ভিডিও এডিটিং এর জন্য ব্যবহার করতে হবে ।

ইউটিউব মার্কেটিং কি?

বর্তমান সময়ের সব থেকে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ইউটিউব।ইউটিউব মার্কেটিং বলতে গেলে আমাদের দেশে নতুন।কিন্তু দিনে দিনে এর চাহিদা বেড়েই চলছে ।একটা সময় মানুষ সামাজিক যোগাযোগ বলতে শুধু ফেসবুক কেই চিনতো। কিন্ত বর্তমান সময়ে ইউটিউব এতোটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে, ফেসবুক থেকে এখন মানুষ ইউটিউব বেশি ব্যবহার করে।তাই বর্তমানে সারা পৃথিবীতে গুগল এর পরেই ইউটিউব এর অবস্থান। পিছনে ফেলেছে সব থেকে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক কে কেউ যদি চান আমি খুব সহজে এবং অল্প সময়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করবো তার জন্য সঠিক রাস্তাটি হচ্ছে এই ইউটিউব মার্কেটিং।

ভিডিও মার্কেটিংএর গুরুত্ব

১. এখন সাধারণত আর্টিকেল পড়ার ধৈর্য্য অনেকের নেই। সাধারণত এমন সব  ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভিডিও মার্কেটিং করা হয়ে থাকে। ফলে দেখা যায় খুব সহজে  ব্যবহারকারীরা না পড়েও ভিডিও দেখে  পণ্য সম্পর্কে  ধারণা পেতে পারেন। এতে একসঙ্গে অনেকের  দৃষ্টি আকর্ষণ করা সহজ এবং প্রচারণা বৃদ্ধি পাবে।২. আপনি চাইলে ভিডিওয়ের মাধ্যমে সহজে পণ্যের গুণাগুন সম্পর্কে জানাতে পারবেন। ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভিডিও দেখার পণ্যের গুণমান সম্পর্কে দ্বিধা থাকে না। যার কারনে বর্তমানে মার্কেটপ্লেসে ভিডিওয়ের চাহিদা রয়েছে অনেক।

৩. ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করা একটু ব্যয়বহুল হলেও মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে তা সহজে করা যায় এবং এবং বিনামূল্যে ইউটিউবের পাবলিশ করতে পারবেন। যার ফলে নতুন উদ্যোক্তারা নিজের পণ্য সহজে প্রচারণা করতে পারে।

৪. সাধারণত ভিডিওয়ের ফলে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে ভালো প্রভাব বিস্তার করা যায়। এখন মার্কেটপ্লেসে ভিডিও মার্কেটিংয়ের প্রতিযোগীতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি, কিন্ত ভাল মানের ভিডিও অনেক কমই আছে। আপনি যদি ভাল মানের ভিডিও করেন তা সহজে ফল পাবেন।

কোথায় শিখবেন

ভিডিও এডিটিং এবং ইউটিউব মার্কেটিং শেখার জন্য একটি ভালো মানের ট্রেনিং সেন্টার প্রয়োজন। কেননা ভালো মানের প্রতিষ্ঠান না হলে ভালোভাবে শিখতে পারবেন না। বগুড়ার মধ্যে একমাত্র সুনামধন্য  ট্রেনিং সেন্টার হলো স্টাডি টেক। স্টাডি টেক এ শিক্ষার্থীদর পত্যেক টা টপিকস খুব ভালো ভাবে বুঝানো হয়। এখানে ব্যাক-আপ ক্লাসের ব্যাবস্থা আছে। কোর্স শেষ না হতেই আপনি ইনকাম করতে শুরু করবেন ইনশাআল্লাহ এই গ্যারান্টি একমাত্র  আমরাই দিয়ে থাকি। তাই আর এদিক সেদিক ঘুরা ফিরা না করে সরাসরি চলে আসুন স্টাডি টেক এ।

আমাদের অন্যানো কোর্স সমূহ :

  • ডাটা এন্ট্রি & অ্যাডমিন সাপোর্ট
  • ওয়েব ডিসাইন
  • গুগল এডসেন্স ট্রেনিং
  • গ্রাফিক ডিসাইন
  • অনলাইন আউটসোর্সিং
  • ওয়ার্ডপ্রেস ট্রেনিং
  • ভিডিও এডিটিং এন্ড ইউটিউব মার্কেটিং

কোর্স এর জন্য প্রয়োজন

  • মৌলিক জ্ঞান এবং PC
  • ইন্টারনেট বা অনলাইন

কোর্স এর বৈশিষ্ট্য:

  • প্রশিক্ষণ সময়কাল – 3 মাস
  • ভর্তি – চলছে …।
  • ছুটির দিন ক্লাস সুযোগ – আছে
  • অফিস ঘন্টা – 10:00 AM থেকে 9:00 PM
Summary
Review Date
Reviewed Item
ইউটিউব কী? ইউটিউব হচ্ছে অনলাইনে ভিডিও শেয়ার, ভিডিও স্ট্রিমিং ও লাইভ ভিডিও দেখার ওয়েবসাইট। এখানে যেকেউ ভিডিও আপলোড করতে পারবেন বিনামূল্যে ,প্রোডাক্ট রিভিউ ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইউটিউব থেকে আয়ের আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও এডিটিং ও ইউটিউব মার্কেটিং শিখে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ুন।
Author Rating
51star1star1star1star1star

1 thought on “ভিডিও এডিটিং ও ইউটিউব মার্কেটিং”

  1. আমি এখান থেকে ৩ মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছি।এখন ইনশাআল্লাহ্‌ অনলাইন থেকে ভালো উপার্জন করতে পারতেছি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *