Graphic Design

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক্স শব্দের অর্থ হলো  ড্রইং। গ্রাফিক্স শব্দ দ্বারা  সেই সব চিত্রগুলোকে বোঝানো হয় যে চিত্রগুলোর সফল পরিসমাপ্তি ড্রইং এর উপর নির্ভর করে। গ্রাফিক্স শব্দটির অর্থ আলাদা ভাবে বোঝার পর বুঝতে হবে ডিজাইন শব্দটির অর্থ। ডিজাইন শব্দটির অর্থ পরিকল্পনা বা নকশা।গ্রাফিক ডিসাইন এটি জটিল একটি কাজ সবার পক্ষে এটি শিখা প্রায় অসম্ভব। কারণ কিছু কঠিন বিষয় আগে মাথায় এবং হাতে আনতে হবে তারপর কাজটি সহজ হবে পারে । তাই প্রথম থেকে সবগুলো অংশকে গুরুত্ব সহকারে বুঝতে হবে। চলুন শুরু করা যাক…

কেউ যদি প্রশ্ন করে “আমি কিভাবে একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন করবো?” সে আসলে জানতে চেয়েছে “কিভাবে আমি একটি লোগো ডিজাইন করব?”  অথবা “কিভাবে আমি একটি ওয়েব সাইট ডিজাইন করবো?” বা “কিভাবে আমি একটা বিজনেস কার্ড ডিজাইন করতে পারি?” আবার “আমি কিভাবে একটি চলমান গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরী করবো?” এই প্রশ্নটি আরো বিভিন্ন রকম হতে পারে।

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর শুরুতে যে বিষয় গুলো জানতে  হবে। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলতে আমরা সেই সব চিত্র কর্মকে বুঝি যা পরবর্তীতে মূলত ছাপার জন্য তৈরি করা হয়ে থাকে। তবে প্রযুক্তির প্রয়োজনে গ্রাফিক্স ডিজাইন শুধুমাত্র ছাপার গন্ডি পেরিয়ে আজ বহুদূর চলে এসেছে। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর একান্তই অন্তর্ভুক্ত বিষয় গুলি হচ্ছে – ডিজিটাল সাইন,  ক্যালেন্ডার, টাইপোগ্রাফি, ব্রোশিয়োর, ওয়েব সাইট ডিজাইন ইত্যাদি।

চলুন আরো একটা শব্দের সাথে পরিচিত হয়ে নিই ডেস্কটপ পাবলিশিং। একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে ডেস্কটপ পাবলিশিং এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সংক্ষেপে যদি বলি, ডেস্কটপ পাবলিশিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুদ্রণ, ওয়েব, পুস্তিকা, বই, ব্যবসায়ীক কার্ড, ওয়েব পেজ হিসাবে মোবাইল ডিভাইসের জন্য ফরম্যাট, নথি উৎপাদন, গ্রিটিং কার্ড, ইত্যাদি তৈরি করা হয়।

কেন গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন?

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ে যারা নতুন কাজ শিখতে চাই তাদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অন্যতম একটি পদ্ধতি হল গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্স ডিজাইন এমনি একটি মাধ্যম, যার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই একজন প্রফেশনাল ডিজাইনার মাসে হাজার ডলারেরও বেশি  ইনকাম করতে পারেন। Odesk, Elance , Fiverr, Peopleperhour গ্রাফিক্স ডিজাইন এর অনেক কাজ পাওয়া যায়। যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখতে আগ্রহী তারা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখতে পারেন । কারণ বাংলাদেশেও এর চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে । অনেক নারী অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করছেন। তাই এ কাজ গুরুত্বের সাথে শিখতে হবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের যেসব কাজ পাবেন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে …

১. লোগো ডিজাইন

২. বিজনেস কার্ড ডিজাইন

৩. ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন

৪. ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি তৈরি

৫. স্টিকার ডিজাইন

৬. প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন

৭. ইমেজ এডিটিংএন্ড রিসাইজ

৮. ফটো রিটাচিং

৯. স্কেচ তৈরি/ড্রয়িং করা

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা

গ্রাফিক ডিসাইন এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বাজার চাহিদা নির্ভর করে সাধারণত দুটি প্রধান উপাদানের ওপর। গ্রাফিক্স ডিজাইনে প্রতিভাদের সাথে মিশে আছে অনেক ধরনের গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রফেশনাল, যেমন- ভিডিও গেম, বিজ্ঞাপন, খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ আরো অনেক। বলা হয় , গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের বেতন আইটি খাতের অন্য প্রফেশনালদের তুলনায় বেশ কম। তারপরও এ ক্ষেত্রে প্রফেশনালদের সবচেয়ে সুবিধা হলো গ্রাফিক্স ডিজাইনে প্রফেশনালদের চাকরি আইসিটি খাতের অন্যান্য সেক্টরের মতো তেমন অস্থায়ী এবং অনিশ্চয়তাপূর্ণ নয়। কেননা ইন্টারনেট বর্তমানে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশে পরিণত হওয়ায় গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদাও ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। তা আগামী দিনেও বাড়তে থাকবে। গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের মধ্যে প্রচুর প্রতিযোগিতা থাকলেও গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রফেশনালেরা কখনই বেকার থাকবেন না।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজ

গ্রাফিক্স ডিজাইনারেরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সৃষ্টি করেন ভিজ্যুয়াল ইমেজ, যা সমস্যার সমাধান করে কিংবা কমিউনিকেট করে এক মেসেজ। ইদানীং গ্রাফিক্স ডিজাইনারেরা ব্যবহার করেন কমপিউটার সফটওয়্যার। মূলত তাদের সৃষ্ট কর্মের ইলেক্ট্রনিক ভার্সন তৈরি করতেই এই কমপিউটার ও সফটওয়্যারের ব্যবহার হয়। অনলাইন মিডিয়ায় বা প্রিন্ট মিডিয়ায় গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা নিয়োজিত হতে পারেন বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রিতে বিভিন্ন ধরনের কাজের উদ্দেশ্যে। গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের দক্ষতা হলো ইমেজ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যবহারের সক্ষমতা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের থাকতে হবে ইউনিক, কার্যকর ডিজাইন তৈরির সক্ষমতা যা প্রজেক্টের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে।

কাজের ধরনের ওপর ভিত্তি করে গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা অনেক সময় প্রয়োজনবোধে ক্লায়েন্টের সাথে মতবিনিময় করেন তাদের প্রজেক্ট নিয়ে। যদি ওয়েবসাইটের ডিজাইন তৈরির কাজ হয়ে থাকে, তাহলে গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা ক্লায়েন্টের কাছ থেকে জেনে নিয়ে ওয়েবপেজের লেআউট তৈরি করার জন্য সিলেক্ট করেন কালার, ইমেজ, টেক্সচার ও শেপ। কমপিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করে গ্রাফিক্স ডিজাইনারেরা ওয়েবসাইটের জন্য টেম্পলেট তৈরি করেন।

বর্তমানে ওয়েবসাইট ডিজাইন একটি ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে গ্রাফিক্স ডিজাইনারেরা ওয়েব পেজের লেআউট তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। এই ইন্ডাস্ট্রিতে আরো যেসব বিষয় সম্পৃক্ত থাকে তা নিম্নরূপ : ভিডিও গেম ডিজাইন, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, সাংবাদিকতা, পত্রিকা বা ম্যাগাজিনের লেআউট তৈরিসহ অন্যান্য বিষয়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ইন্ডাস্ট্রিতে সর্বোচ্চ বেতন : গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্ষেত্র দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে। নতুন নতুন টেকনোলজি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সৃষ্টি করছে নতুন নতুন চাহিদা। গ্রাফিক্স ডিজাইন তেমন এক চাহিদাসম্পন্ন টেকনোলজি ক্ষেত্র, যা অতীতে ছিল শুধু আর্টিস্টকেন্দ্রিক। ইন্ডাস্ট্রিতে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কাজ বা চাকরি রয়েছে যার জন্য দরকার মাল্টিমিডিয়া ও বিভিন্ন ধরনের কমপিউটার সফটওয়্যার কাজে দক্ষতা, যারা কাজ করবেন মার্কেটিং ও প্রমোশনাল ম্যাটেরিয়াল, মিউজিক, ভিডিও, প্রিন্টেডে ডকুমেন্ট, ওয়েবপেজসহ আরও অনেক ক্ষেত্র নিয়ে। গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রতি আরও একটি মাধ্যম যুক্ত হয়েছে। তা অনেক দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এ মাধ্যমে যেকেউ কাজ করতে পারেন যেমন- ইন্টারেক্টিভ মিডিয়া অর্থাৎ ওয়েব ও মোবাইল ফোন ইত্যাদি।

কোথায় শিখবেন গ্রাফিক ডিজাইন  

ভালভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখার জন্য দুই ধরনের উপায় রয়েছে। একটি হচ্ছে কোন অভীজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে শিখে নেয়া এবং অন্যটি হচ্ছে অন-লাইন হতে ভালমানের বিভিন্ন ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে শেখা। অন-লাইন হতে শেখার ক্ষেত্রে আপনাকে প্রচুর পরিমানে ধৈর্য্য ধারন করতে হবে। অন্যদিকে কোন ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে শেখার ক্ষেত্রে অল্প সময়ে শিখে নিতে পারবেন।

একটা কথা মনে রাখবেন আপনি অন-লাইন বা যে কোন প্রতিষ্ঠান হতে শিখুন না কেন অবশ্যই সেটি ভালমানের প্রতিষ্ঠান বা ভালমানের হতে হবে। সম্প্রতি সময়ে SEO শেখানোর মত অনেক প্রতিষ্ঠানই হাতের কাছে রয়েছে।

আর নয় ঢাকা  তে আপনার হাতের কাছেই রয়েছে একটি ভালো মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সেটি হলো স্টাডি টেক। স্টাডি টেক বগুড়ার মধ্যে একটি নামকরা প্রতিষ্টান। এখানে অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালনা করা হয় এবং যত্ন সহকারে শিক্ষার্থীদের বোজানো হয়। কোর্স শেষ না হতেই আপনি  ইনকাম করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। এই গ্যারান্টি একমাত্র আমরাই দিয়ে থাকি।

আমাদের অন্যানো কোর্স সমূহ :

  • ডাটা এন্ট্রি & অ্যাডমিন সাপোর্ট
  • ওয়েব ডিসাইন
  • গুগল এডসেন্স ট্রেনিং
  • এসইও
  • অনলাইন আউটসোর্সিং
  • ওয়ার্ডপ্রেস ট্রেনিং
  • ভিডিও এডিটিং এন্ড ইউটিউব মার্কেটিং

 

 

কোর্স এর জন্য প্রয়োজন

  • মৌলিক জ্ঞান এবং PC
  • ইন্টারনেট বা অনলাইন

কোর্স এর বৈশিষ্ট্য:

  • প্রশিক্ষণ সময়কাল – 3 মাস
  • ভর্তি – চলছে …।
  • ছুটির দিন ক্লাস সুযোগ – আছে
  • অফিস ঘন্টা – 10:00 AM থেকে 9:00 PM

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *